নিজস্ব প্রতিবেদক -
জামালপুর সদর উপজেলা নরুন্দি ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড শ্রীবাড়ী জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক কৃষককে বাঁশের ডান্ডা (লাটি)ও লোহা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসী আক্তার বাহিনী মো.মমতাজ আলী (৪৭) নামে ব্যক্তি কে!
ইউনিয়নের শ্রীবাড়ী ১নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মমতাজ আলীর বাড়ির পাশের জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আক্তারের সাথে বিবাদ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত মোতাবেক, মমতাজকে জমি বুঝিয়ে দেয় সালিসিতে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা!উক্ত ভূমিতে মমতাজ ধানের বিজ ফলাতে গেলে, কিছু বুঝে উঠার আগেই আক্তারের লোকজন অতর্কিতভাবে হামলা চালায় মমতাজের উপর এক পর্যায়ে আঘাতপ্রাপ্ত হইয়া মাটিতে লুটিয়া পড়িলে পরিবার এবং স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করিয়া জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার নরুন্দি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের শ্রীবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতের ছেলে হন্দয় বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানা অভিযোগ করে বলে জানান , গত ৩ বছর যাবত আমাদের বাড়ির সামনের ১৭ শতাংশ জায়গা নিয়ে প্রতিবেশী আক্তারের সাথে আমাদের বিরোধ ছিল। কিছু দিন আগেই সামাজিক ভাবে সালিশি বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসাও হয়ে যায়।
ওই সালিশে ১৭ শতাংশ জায়গা মমতাজ কে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এরপর শুক্রবার বিকেলে মমতাজ তাহার অংশের জায়গা ধানের বিজ রুপন করতে ভূমি প্রস্তুত করার জন্য সেই ভূমিতে কাজ শুরু করে।খবর পেয়ে আক্তার ও তার লোকজন ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে আমার বাবাকে পিছন থেকে এসে ভূমিতে ঘিরে রাখে জাহাঙ্গীর,মতি,হোসেন,ও তার বোন বৌ সঙ্গে নিয়ে আমার বাবার সাথে হাতাহাতি শুরু করে। একপর্যায়ে বাঁশের (ডান্ডা) লাঠি, লোহা দিয়ে এলোপাথারি ভাবে বাবার মাথায় কানে ও কাঁধে শরিলে আঘাত করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিকেল ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নরুন্দি তদন্ত কেন্দ্র ইনচার্জ লুৎফর রহমান সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে, ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন এবং বলেন নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সন্ধ্যার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে, জামালপুর সদর থানায় এস আই শাহিন ঘটনাস্থলে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে প্রাথমিক ভাবে নিহতের শরীরে মাথার ডানকানের উপর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহৃ পাওয়া যায় । এ ব্যাপারে নিহতর ছেলে বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। লাশ ময়নাতদন্তের সাপেক্ষে হস্তান্তর করেন পরিবারের কাছে ফরেন্সি বিভাগ।
মমতাজের মরদেহ গ্রামের বাড়ি পোছলে এলাকাবাসী বিক্ষোভ হয় সাথে সাথে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।এই নির্মম হত্যার কান্ডের বিচার ফাঁসির দাবি জানান এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক মহোদয় এরকাছে, আর যারা এই হত্যার সাথে জরিত আছে সকলকে আইনের আওতায় এনে বিচার কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সর্বোচ্চ বিচার ফাঁসির দাবি জানান ও দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের কাছে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।